1. rony07557@gmail.com : admin :
রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ ‍শিরোনাম :
লেখক মুশতাক আহমেদের শেষ ফেসবুক স্ট্যাটাসে সংহতি জানিয়ে খালি পায়ে মিছিল মন খেয়ালে খান শাহরিয়ার ফয়সাল ধর্ষিতার পাশে রক্তদানে আমরা কেন্দুয়ার সংগঠন পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নিহত সেনাসদস্যদের স্মরণে ছাত্র অধিকার পরিষদের শ্রদ্ধাঞ্জলি কাদের মির্জাকে দল থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ ইচ্ছে অনুযায়ী ছেলের পাশে চিরনিদ্রায় এটিএম শামসুজ্জামান প্যাডে ভাত না থাকলে শরম দিয়া অইবে কি ? আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও ফাল্গুনের প্রথম দিন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে সীমান্ত দিয়ে মানুষ তো দূরে কথা একটা পাখিও ঢুকতে পারবে না : অমিত শাহ সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশ ছেড়ে লন্ডনে বসবাসের গুরুত্ব দিচ্ছেন

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে সীমান্ত দিয়ে মানুষ তো দূরে কথা একটা পাখিও ঢুকতে পারবে না : অমিত শাহ

অনলাইন ডেক্স
  • Update Time : শুক্রবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

ভারতে আর , ধোন দুয়েক পরেই শুরু হচ্ছে বিধানসভা নির্বাচন। এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিজেপির প্রচারণায় পশ্চিমবঙ্গ সফরে গিয়ে বাংলাদেশ থেকে কথিত অনুপ্রবেশের ইস্যুকে আবারো খুঁচিয়ে তুললেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বৃহস্পতিবার রাজ্যের উত্তর ও দক্ষিণ প্রান্তে দু ‘ টি জনসভায় অংশ নিয়ে ভারতীয় মন্ত্রী দাবি করেছেন , পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে সীমান্ত দিয়ে মানুষ তো দূরে থাক , একটা পাখিও ঢুকতে পারবে না।

এদিন কোচবিহার ও ঠাকুরনগরের জনসভায় দাঁড়িয়ে অমিত শাহ জনতার উদ্দেশে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন , ‘ অনুপ্রবেশ নিয়ে আপনারা কি বিরক্ত নন ? আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি আদৌ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পারবেন ? ‘ বিজেপি নেতার কথায় , ‘ রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তন হলেই কেবল অনুপ্রবেশ বন্ধ হবে। দেখবেন , বিজেপি সরকার গড়লে সীমান্ত দিয়ে মানুষ দূরে থাক , একটা পাখিও ঢুকতে পারবে না। ‘ মজার বিষয় হচ্ছে , পশ্চিমবঙ্গে দাঁড়িয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন এ কথা বলছেন , ঠিক তার আগের দিনই তার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেই ভারতীয় সংসদে লিখিত জবাবে জানানো হয়েছে , ২016 সালের তুলনায় পরের পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের ঘটনা ব্যাপকভাবে কমেছে।

রাজ্যসভার সদস্য মানস রঞ্জন ভুইঁয়া প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানিয়েছিল ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তৃণমূল কংগ্রেসের এ নেতার মতে , বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ নিয়ে অমিত শাহের বক্তব্য পুরোটাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন , ‘ আন্তর্জাতিক সীমান্তে বেড়া দেওয়ার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের , সেই কাজ অসম্পূর্ণ রয়েছে। তাছাড়া অন্য দেশ থেকে যারা অবৈধভাবে ভারতে ঢুকবে , তাদের ওপর নজরদারি করা বা বাধা দেওয়ার কথা বিএসএফের- যা কেন্দ্রীয় সরকারের বাহিনী। তাহলে তারা কীভাবে অনুপ্রবেশের জন্য মমতা সরকারের ঘাড়ে দোষ চাপান ? ‘ মানস রঞ্জন ভুইঁয়ার কথায় , ‘ ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারই বলেছে , বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ কমে গেছে।

তারপরও এসব কথা বলার মানে রাজনীতির জন্য রাজনীতি করা বা শুধু বলার জন্যই বলা। ‘ অনেকটা একই মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদেরও। তাদের অনেকে মনে করছেন , বিজেপি আসলে কথিত অনুপ্রবেশ ইস্যুর আড়ালে সাম্প্রদায়িক এজেন্ডাকেই সামনে আনার চেষ্টা করছে। ভারতের প্রবীণ রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও টাইমস অব ইন্ডিয়ার সাবেক সাংবাদিক শিখা মুখোপাধ্যায়ের কথায় , ‘ অনুপ্রবেশের নাম করে বিজেপি আসলে এটাই বলতে চায় , বাংলাদেশ থেকে দলে দলে মুসলিমরা এসে পশ্চিমবঙ্গে কোনোভাবে হয়তো হিন্দুদের সংখ্যালঘু বানিয়ে দেবে। এটা একটা সাম্প্রদায়িক বিভাজনের বক্তব্য- আর এ কথাটা যেন বলা যায় , সেজন্যই অনুপ্রবেশের ইস্যুকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

সবার কাছে নিউজটি পাঠাতে বেশি বেশি Share করুন....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় সংবাদ পেতে আমাদের সাথে থাকুন.......
© All rights reserved © 2019 Daily Somoy Express.
কারিগরি সহযোগিতায় দৈনিক সময় এক্সপ্রেস.