1. rony07557@gmail.com : admin :
বুধবার, ১৯ মে ২০২১, ১২:১১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ ‍শিরোনাম :
১৭ মে যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হতে করনীয় ফারাক্কা লংমার্চ দিবসে টাঙ্গাইলে ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদ এর শ্রদ্ধাঞ্জলি রংধনু সেবা সংঘের উদ্যেগে নারায়ণগঞ্জে ঈদ সামগ্রী বিতরণ প্রবাসী অধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে নাটোরে ইফতার বিতরণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে দূরপাল্লার পরিবহন চালুর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি গ্রেপ্তারকৃত ছাত্রদের ঈদের আগে মুক্তি দিতে বিশিষ্টজনদের চিঠি খুলনা মহানগর ছাত্র অধিকার পরিষদের ঈদ সামগ্রী বিতরণ ছাত্র অধিকার পরিষদ ঢাকা মহানগর দক্ষিণে ইফতার ও দোয়া মাহফিল আয়োজন একুশের বিধানসভায় পশ্চিমবঙ্গে ফের বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয় পেল মমতার তৃণমূল

সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশ ছেড়ে লন্ডনে বসবাসের গুরুত্ব দিচ্ছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
ফাইল ফটো - সময় এক্সপ্রেস.

রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন! সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। কারাবরণে তিন বছর পূর্ণ হলো গতকাল। আইনিভাবে ব্যর্থ হয়ে বিশেষ শর্তে জামিনে রয়েছেন গত বছরের ২৫ মার্চ থেকে। প্রথমে ছয় মাসের জন্য জামিন দেয়া হয়। এরপর দ্বিতীয় দফায় গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর জামিনের মেয়াদ বাড়িয়ে আগামী ২৬ মার্চ পর্যন্ত করা হয়। এ জামিনও শেষের পথে। সরকারের সাথে সমঝোতা করছেন খালেদা জিয়ার পরিবার। যেতে চাচ্ছেন লন্ডনে। দেশ ছাড়ার ইচ্ছা জানিয়েছেন পরিবারকে। শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পূর্ব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। আবেদনে কী থাকছে, কীভাবে পূর্বের ন্যায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাচ্ছে পরিবার, এ বিষয়ে বিএনপির হাইকমান্ড অন্ধকারে রয়েছেন। খালেদা জিয়ার পরামর্শে পরিবারই সবকিছু করছেন।

দলটির নির্ভরযোগ্য সূত্রমতে, আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইমেজ রাজনৈতিক অঙ্গনে ক্ষুণ্ন হয়ে গেছে। তাই তিনি হয়তো আর রাজনৈতিক অঙ্গনে মৌলকভাবে আসবেন না। চিকিৎসা ও বেঁচে থাকাকেই পরিবার এখন বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। শারীরিকভাবে নানা সমস্যায় জর্জরিত বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অধ্যায় হয়তো শেষের পথেই বলে মনে করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক নেতা জেলে গেলে অনেক সময় আরও বিকশিত হন, আরও বড় নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়ার জেলজীবন তার রাজনৈতিক অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটছে দলের কার্যত ভূমিকার কারণে। আড়াই বছরে দল খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে কিছুই করতে পারেনি। তাই তিনি দেশ ছেড়ে লন্ডনে বসবাসকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন। মার্চেই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে মুক্তি পাওয়ার সবুজ সংকেত রয়েছে সরকার থেকে, পরিবারের নির্ভরযোগ্য সূত্র আমার সংবাদকে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খালেদার দেশ ছাড়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ চার আইনজীবী তার পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর একটি খসড়া আবেদন তৈরি করেছেন। দলটির হাইকমান্ড মনে করছেন, খালেদা জিয়া কারাগারের বাইরে থাকলেও পুরোপুরি মুক্ত নন।

তাকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। তার এখন বেঁচে থাকাই একমাত্র পথ। তাই চলতি সপ্তাহেই পরিবারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানানো হবে। নতুন জামিনের জন্য ফের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে লিখিত আবেদনে প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি চাইবেন তারা। খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি শুভেচ্ছা চিঠিও ইতোমধ্যে সিনিয়র আইনজীবীদের সহযোগিতায় তৈরি করেছেন। আবেদন ও চিঠিতে অ্যাডভান্স ট্রিটমেন্টের বিষয়টি উল্লেখ থাকবে। তার অনুমতি নিয়ে ভাই শামীম এসকান্দার ব্রিটিশ হাইকমিশনে নিজের ও বোন খালেদা জিয়ার পাসপোর্টসহ কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক মহলও সরকার অনুমতি দিলে খালেদার পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে। সরকার অনুমতি দিলে ব্রিটিশ হাইকমিশন তার চিকিৎসার জন্য ভিসা দেয়ার ঘোষণা দেয় এর আগে।

এ প্রসঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট ডিকসন বলেছিলেন, সরকার অনুমতি দিলে খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য তারা ব্রিটেন যেতে ভিসা দেবেন। আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন আমার সংবাদকে বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিলো ভালো চিকিৎসা, উন্নত চিকিৎসা। উন্নত চিকিৎসা এখানে প্রপার ওয়েতে হচ্ছে না। এজন্য তিনি দেশের বাইরে যেতে চাইছেন, তার পরিবারও সেটি চাচ্ছে। এর আগেও পরিবার থেকে আবেদন করা হলে সরকার ইতিবাচক হিসেবে দেখেছেন। এবারো যদি আবেদন করা হয় সরকার সেটাকে ইতিবাচক হিসেবে নেবে বলে আমরা আশা করছি। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানবিক দিকটি বিবেচনা করার জন্য আবেদনে উল্লেখ থাকবে।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন আমার সংবাদকে বলেন, খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্র চিকিৎসার জন্য সাময়িকভাবে মুক্তি দিলেও খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসা হচ্ছে না। তার এখন প্রয়োজন উন্নত চিকিৎসা যেটাকে আমরা চিকিৎসকের ভাষায় বলি- আধুনিক চিকিৎসা।

তিনি অতীতে লন্ডন, নিউইয়র্কসহ যেখানে যে চিকিৎসা নিয়েছেন এখন সেখানেই সে চিকিৎসাগুলো নিতে হবে। বাসায় তাকে উন্নত চিকিৎসা দেয়া সম্ভব নয়। এখন তার প্রয়োজন স্থায়ী জামিন ও চিকিৎসা। খালেদা জিয়ার আইনজীবী কেন্দ্রীয় বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সময় এক্সপ্রেসকে বলেন, এখন সব মহল থেকে যে স্থায়ী জামিনের কথা বলা হচ্ছে তা সরকারের ওপর নির্ভর করছে। আমরা চূড়ান্ত শুনানির জন্য আপিল করেছি। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে শিগগিরই তিনি ন্যায়বিচার পাবেন।

দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আইনজীবীরা ভালো জানেন, আইনজীবীরা কী করছেন, আমরা কিছু জানি না।

 

সবার কাছে নিউজটি পাঠাতে বেশি বেশি Share করুন....

One thought on "সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশ ছেড়ে লন্ডনে বসবাসের গুরুত্ব দিচ্ছেন"

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় সংবাদ পেতে আমাদের সাথে থাকুন.......
© All rights reserved © 2019 Daily Somoy Express.
কারিগরি সহযোগিতায় দৈনিক সময় এক্সপ্রেস.