1. rony07557@gmail.com : admin :
রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ ‍শিরোনাম :
লেখক মুশতাক আহমেদের শেষ ফেসবুক স্ট্যাটাসে সংহতি জানিয়ে খালি পায়ে মিছিল মন খেয়ালে খান শাহরিয়ার ফয়সাল ধর্ষিতার পাশে রক্তদানে আমরা কেন্দুয়ার সংগঠন পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নিহত সেনাসদস্যদের স্মরণে ছাত্র অধিকার পরিষদের শ্রদ্ধাঞ্জলি কাদের মির্জাকে দল থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ ইচ্ছে অনুযায়ী ছেলের পাশে চিরনিদ্রায় এটিএম শামসুজ্জামান প্যাডে ভাত না থাকলে শরম দিয়া অইবে কি ? আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও ফাল্গুনের প্রথম দিন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে সীমান্ত দিয়ে মানুষ তো দূরে কথা একটা পাখিও ঢুকতে পারবে না : অমিত শাহ সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশ ছেড়ে লন্ডনে বসবাসের গুরুত্ব দিচ্ছেন

মুজিববর্ষের ঘর নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ নেত্রকোনায়

নেত্রকোনা প্রতিনিধি
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২১

নেত্রকোনায় মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীনদের জন্য তৈরিকৃত ঘরে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মুজিববর্ষে কেউ গৃহহীন থাকবে না সরকারের এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে নেত্রকোনায় ইউনিয়ন পর্যায়ে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে প্রশাসন থেকে ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নিলেও তাতে অনিয়মের অভিযোগ করেছেন উপকারভোগী ও স্থানীয়রা। সীমান্তবর্তী পাহাড় ঘেঁষা দুর্গম লেংগুড়া (কলমাকান্দা) আশ্রয়ন প্রকল্পে এই অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জেলা প্রশাসকও প্রাথমিকভাবে অনিয়মের খবর পেয়ে ইট ও কাঠ পাল্টানো হয়েছিল বলে জানিয়েছেন।

ঘর নির্মাণের কাজ প্রায় সমাপ্তির দিকে হলেও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ইট -সিমেন্ট সহ নির্মাণ সামগ্রী ব্যাবহার করা হয়েছে খুবই নিন্ম মানের। এর মধ্য, উপকারভোগীদের অনেকেরই অভিযোগ নিচু মেঝে হওয়ায় বন্যার সময় পানিতে ডুবে যাবে এই ঘর।

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায় মুজিববর্ষে নেত্রকোনায় জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধায়নে ৯৬০ জন গৃহহীনকে ঘর উপহার দেওয়ার সময় ঘনিয়ে আসছে। এরমধ্যে জেলার ১০ উপজেলায় বিভিন্ন শ্রেণিতে এসব উপকারভোগীর মাঝে সরকারি ঘর হস্তান্তর করার সব প্রক্রিয়াও প্রায় সম্পন্ন হয়েছে।

এরমাঝে শুধুমাত্র কলমাকান্দায় ১০১টি ঘর নির্মাণ কাজ চলমান। কিন্তু কলমাকান্দা লেংগুড়া ইউনিয়নের আশ্রয়ন প্রকল্পে ১৬টি ঘর নদী তীরবর্তী হওয়ায় বর্ষাকালে ঘরগুলোতে পানি উঠার আশঙ্কায় আছেন নিবন্ধিত উপকারভোগীরা। অথচ সরকার মুজিববর্ষের ঘরে ভালো মানের ইট-সিমেন্ট ব্যবহার করার শর্তে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা বাড়িপ্রতি বরাদ্দ দিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়াহাব বলেন ঘরগুলো উঁচু না করায় উপকারভোগীরা এটার শতভাগ সুবিধা পাবে না। তার অভিযোগ এ বাড়ি নির্মাণে দরকারের চেয়ে বেশি পরিমাণে বালু ব্যবহার করা হচ্ছে একে তো সিমেন্ট কম দেওয়া হয়েছে তাছাড়া ভালো কোম্পানির সিমেন্টও ব্যবহার করা হয়নি। এ বিষয়ে কর্মরত শ্রমিকদের কাছে অনিয়মের কথা জানতে চাইলে তারা ঠিকাদারের (প্রকল্প কর্মকর্তা) সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন। তবে যেহেতু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এই প্রকল্প দেখভাল করছেন তাই প্রকল্প কর্মকর্তা এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি।

শেষের পথে গৃহহীনদের জন্য ঘর বানানোর কাজ। চলছে রঙের কাজ। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ নদীর তীরে নিচু স্থানে মুজিববর্ষ উপলক্ষে এই বাড়িগুলো বানানো হয়েছে। ফলে পাহাড়ি ঢলে ঘরগুলো তলিয়ে যাওয়ার সমূহ আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে সরকারের মহৎ উদ্দেশ্য বৃথা যাবে। উপকারভোগী হয়ে উল্টো ক্ষতিগ্রস্ত হতে হবে ঘরের বাসিন্দাদের।

উপকারভোগী হিসেবে নিবন্ধিতরা অভিযোগ করেছেন এসব ঘরের কাজ শুরুর আগে তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে সমস্যার কথা জানিয়েছেন কিন্তু তিনি কোনও ব্যবস্থা নেননি। এজন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপকারভোগীরা।

ঘর প্রাপ্তির তালিকায় নাম থাকা এক উপকারভোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান যে, ঘরের মেঝে নিচু হয়েছে, এখানে পানি আসলে ঘরে থাকা যাবে না এটা আমি টিএনও (ইউএনও) স্যারকে জানালে তিনি বলছেন পানি আসলে রাস্তায় থাকবা পরে সরকার আবার তোমাদের ত্রাণ দেবে। আমরা গরিব মানুষ কী আর বলবো! বেশি বললে যদি ঘর না পাই তাই আর কিছু বলিনি।

 

এমন শ্যাওলা পড়া রিং ব্যবহার হয়েছে ঘরগুলোর টয়লেট নির্মাণের কাজে। এদিকে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ অস্বীকার করে, কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল রানা বলেন ঢল আসলে উপজেলা সদরও পানিতে তলিয়ে থাকে। বাজেট নেই মেঝে উঁচু করার তাই করিনি। সিমেন্ট ও ইটের বিষয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।

নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক কাজি মো. আবদুর রহমান জানান প্রথমদিকে নিম্নমানের কাজের খবর পেয়ে শুরুতেই ইটও পরিবর্তন করে দিয়েছি। নতুন কোনও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেবো। জেলার ১০টি উপজেলায় ৯৬০টি বাড়ি নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি ঘর নির্মাণে সরকারি বরাদ্দ রয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। এছাড়াও মালামাল আনা নেওয়ার জন্য আরও ৪ হাজার বরাদ্দকৃত টাকা সঠিকভাবে ব্যয়ের মাধ্যমে গৃহ-নির্মাণের দাবি উপকারভোগীসহ স্থানীয়দের।

সবার কাছে নিউজটি পাঠাতে বেশি বেশি Share করুন....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় সংবাদ পেতে আমাদের সাথে থাকুন.......
© All rights reserved © 2019 Daily Somoy Express.
কারিগরি সহযোগিতায় দৈনিক সময় এক্সপ্রেস.