1. rony07557@gmail.com : admin :
November 26, 2020, 6:31 am
শিরোনামঃ
চলে গেলেন না ফেরার দেশে-ডিয়াগো ম্যারাডোনা নড়াইলে ইজিবাইক চালকের লাশ উদ্ধার নেত্রকোনায় বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে মহিলা পরিষদের সংবাদ সম্মেলন চলচ্চিত্র কে বিদায় -মিশা সওদাগর আগামী ২৮ ডিসেম্বর পৌর ভোট কাল থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ করবে বিএনপি ২৫ টি পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা সমাজকর্মে ডিগ্রীপ্রাপ্তরা সংশ্লিষ্ট পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন একজন সমেস ডাক্তার হানিফ সংকেত সাইবার অপরাধীদের প্রতারণায় বাদ যায়নি ইউটিউব চ্যানেলও : ইউটিউব চ্যানেলে জমি দেখিয়ে প্রতারণা! ময়মনসিংহে একটি স্কুল প্রাঙ্গণে লাল শাক বপন করায়: প্রধান শিক্ষকের সিদ্ধান্তে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া

বেপরোয়া ধর্ষণে মেতেছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা!

অনলাইন ডেস্ক
  • Publishe Time, Thursday, October 29, 2020,
  • 212 0 view
ছবি - সংগৃহীত

বাংলাদেশে বেপরোয়া ধর্ষণে মেতেছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা! আওয়ামী লীগের এমপি থেকে শুরু করে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা বেপরোয়াভাবে বাংলাদেশের নারীদের ইজ্জত লুন্ঠনের খেলায় নেমেছে! একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা নদীর স্রোতের মতো বয়ে চলেছে । আর এই ধর্ষণের ঘটনার পিছনে বার বার আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নাম উঠে এসেছে। সম্প্রতি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন এবং ভিডিও ধারণ করে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছি ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা যা বাংলাদেশের ইতিহাসে নারীর প্রতি জঘন্যতম এই নির্যাতনের ঘটনা এটি।

আওয়ামী লীগের এই বর্বর, মধ্যযুগীয় নির্যাতনে বাংলাদেশে যেনো ভেসে বেড়াচ্ছে ধর্ষণের উৎসব, নারীর চিৎকার, শিশুর চিৎকার, মায়ের কান্না, অসহায় বাবার কলিজা ফাটা আর্তনাদ। একের পর এক স্বামীর সামনে স্ত্রী, মা-বাবার সামনে কন্যা ধর্ষণের ঘটনাকে বাংলাদেশের জন্য করোনার মতো মহামারি দেখছেন বিশেষজ্ঞরা । ফেসবুক আর ইউটিউবে যেনো ঘুরে বেড়াচ্ছে নারী নামের হরিণ শিকারের দৃশ্য ও শিকারিদের বর্বর উল্লাস।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণ করেছে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মীরা। এবার নরসিংদীতে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বাড়ি থেকে ডেকে এনে ধর্ষণ করেছে রায়পুরা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আসাদুল হক চৌধুরী শাকিলের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে ছাত্রলীগের নেতা শাকিলসহ দুজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগ এনে আজ শুক্রবার দুপুরে রায়পুরা থানায় মামলা করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্কুলছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে দশম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে বাড়ি থেকে রাজু অডিটরিয়ামে ডেকে নিয়ে আসেন রায়পুরা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাকিল। রাত ১১টার দিকে তার ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়।

এ সময় স্কুলছাত্রীর চিৎকার-চেচামেচিতে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। তখন ছাত্রলীগনেতা শাকিল কৌশলে পালিয়ে যান। পরে সরকারের জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল করে বিষয়টি জানানো হয়। এরপর রায়পুরা থানা পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

ভিকটিমের বাবা বলেন, ‘আমার মেয়ের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছে ছাত্রলীগনেতা শাকিল। আমি এর উপযুক্ত বিচার চাই।’
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহসিন কাদির সাংবাদিকদের বলেন, ‘নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রলীগ নেতাসহ দুজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ভিকটিমকে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে।’

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের ঘটনায় উল্লসিত বর্বরদের বর্বরতার দৃশ্য দেখে আজ ফুঁসে উঠেছে গোটা দেশ। ক্রোধ, হাহাকার আর দীর্ঘদিনের বোবা যন্ত্রণার বহিঃপ্রকাশ ঘটাচ্ছে প্রতিবাদী স্লোগান আর গর্জনে। ‘ভাই মাফ করেন, আমি বাচ্চার মা’।

এমন আর্তনাদ শুনে যখন কেঁপে উঠছে আসমান-জমিন, সেখানে পাষাণদের মন অবিচল। বেগমগঞ্জের সেই মা, সেই স্ত্রী নির্যাতকদের পায়ে পায়ে ঘুরে বলছে, ‘আমার মেয়েটা ছোট, ওরে অন্তত ছেড়ে দ্যান’। ওই মায়ের আত্মচিৎকারে সেদিন এগিয়ে আসার দুঃসাহস করেনি প্রতিবেশীরা বরং পাড়াপড়শি তখন দুয়ার আটকে চুপ!

ছাত্রলীগের বর্বর শিকারিদের বর্বরতার নেপথ্যে যে ক্ষমতা সেই ক্ষমতার ভয়ে পাড়া-পড়শি এগিয়ে আসেনি ওই মাকে শিকারিদের হাত থেকে রক্ষা করতে। তবে ফেসবুকের কল্যাণে ৩২ দিন আগের সেই নির্যাতনের ঘটনা ভাইরাল হলেই বাংলাদেশজুড়ে শুরু হয় প্রতিবাদ। টনক নড়ে প্রশাসনের। জানা যায়, সেই ভিডিও ধারণ করে রাখার নেপথ্যে ওই নারীকে দাসী বানিয়ে রাখার প্রচেষ্টামাত্র।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে একের পর এক যেভাবে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে এটি অত্যন্ত লজ্জাজনক রাষ্ট্রের জন্য এবং বর্তমান সরকারের অবহেলাকে দায়ী করছেন অনেকে। দেশে মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় হয়েছে, অপরাধীদের সামাজিকভাবে প্রতিরোধ করার দাবি উঠেছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোরতার মাধ্যমে এদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। যারা অপরাধ করছে কিংবা ধর্ষণ করছে শুধু সাক্ষীর অভাবে প্রকৃত অপরাধীরা বের হয়ে যাচ্ছে। মামলা হয় আসামিও আটক হয়, আদালতেও বিচার চলে কিন্তু বিচারকের সামনে সাক্ষী হাজির থাকে না।

সাক্ষীর জন্য বিচারক তিন সপ্তাহ, মাসের পর মাস দিনক্ষণ ঠিক করে দিয়ে সাক্ষীকে উপস্থিত করতে নির্দেশ দিলেও পুলিশ সাক্ষীকে যথাসময়ে আদালতে উপস্থিত করতে ব্যর্থ হয়। পুলিশ উপরের মহলের চাপে, কখনো টাকার কাছে লোভে পড়ে সাক্ষীকে আদালতে হাজির করেন না।

এক সময় দেখা যায়, আসামিপক্ষের আইনজীবী আদালতে দাঁড়িয়ে বলেন, আমার মক্কেল আর কত জেল খাটবে, কোনো সাক্ষী নেই। তখন বিচারকের ওই অপরাধীকে জামিন দেয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না। অর্থাৎ পুলিশের উদাসীনতা, ব্যর্থতা আর বিশেষ মহলের প্রভাবের কারণেই ধর্ষণের আসামিরা সময়ের আলোচনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরপরই বের হয়ে যাচ্ছে।

মামলার এজাহারে দেলোয়ারের নাম না থাকলেও আসামিরা সবাই তারই লোক। তারা একত্রেই বেগমগঞ্জে নানা অপকর্ম করেন। নির্যাতনের ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর দেলোয়ার বাহিনীর সবাই বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করার চেষ্টা করে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশের একাধিক নারীর বক্তব্য উঠে এসেছে, অবৈধ সরকারের পালিত ছাত্রলীগ নামের এর ধর্ষণলীগে বাংলাদেশের নারীরা এখন অতিষ্ঠ ও দিশেহার। একের পর এক স্বামীর সামনে স্ত্রী, মা-বাবার সামনে কন্যা ধর্ষণের ঘটনাকে জন্ম দিয়েছে এই ছাত্রলীগ। আমরা এই ছাত্রলীগ নামে খুন-নির্যাতন-ধর্ষণ-লুটপাট দলের হাত থেকে বাচতে চাই!

সম্প্রতি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধন করে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি বাড়িয়ে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার।

বিএনপির দাবী, বাংলাদেশের ঘাড়ে একটি অবৈধ সরকার বসে আছে। যাদের হাতে বার বার গণতন্ত্র হত্যার শিকার হয়েছে। এখন তারা ধর্ষণের খেলায় নেমেছে। এ সরকারের অস্ত্র গুম-খুন-নির্যাতন-ধর্ষণ-লুটপাট। এর বিরুদ্ধে যখন জনগণ জেগে উঠেছে তখনই জনগণককে আইওয়াশ করতে ধর্ষণের সাজা মৃত্যুদণ্ড করা হয়েছে। যেখানে ন্যায়বিচার নেই, সেখানে কীভাবে ন্যায়বিচার জনগণ পাবে?

বাংলাদেশের এই ধর্ষণের ঘটনায় বিশ্ব মিডিয়ায় চলছে নানা ধরণের আলোচনা। বিশেষজ্ঞরা বর্তমান সরকারের অবহেলা এবং ন্যায়বিচার শাসন না করাকে দায়ী করছেন।

বিডি / এস-এক্স এফ / এ.এইচ.রনি কে রূহি

 

অনুগ্রহ করে নিউজটা শেয়ার করুন, নিজে পড়ুন অন্যকে ও পড়তে সাহায্য করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2019 দৈনিক সময় এক্সপ্রেস.

কারিগরি সহযোগিতায় দৈনিক সময় এক্সপ্রেস.