1. rony07557@gmail.com : admin :
October 22, 2020, 6:22 pm
শিরোনামঃ
কেন্দুয়ায় চোরাই গরু সহ ২ চোর আটক ১৫ অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র চট্টগ্রামে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে প্রশাসনের মাইকিং যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ককে ডিবি পরিচয়ে তুলে নেওয়ার অভিযোগ নেত্রকোনায় পানিতে ডুুুবে দুই শিশুর মৃত্য হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সাত দিনের আলটিমেটাম মান্নার (ভিডিওসহ দেখুন) কিশোরগঞ্জে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহতের পরিবারকে দেড় লাখ টাকা অনুদান প্রদান জামালপুরের ডিসির কায়দায় এবার আ’লীগের এমপির নারী কেলেঙ্কারি নেত্রকোনার মদনে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ৭ উত্তাল ময়মনসিংহ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা খুন; বিক্ষোভ-অগ্নিসংযোগ নতুন দ্বারা রাজনৈতিক দল গঠন চলবে সকলের অনুদানে : ভিপি নুরু ও রাশেদ

দুর্গাপুরে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষায় কাজ করছেন ইউএনও

দূর্গাপুর প্রতিনিধি, নেত্রকোনা
  • Publishe Time, Friday, October 16, 2020,
  • 147 0 view
ছবি - বিজয় দাস

স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরও অরক্ষিত ও অবহেলায় পড়ে আছে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বিভিন্ন বধ্যভূমিগুলো। এখনও অনেক চিহ্নিত জায়গা গুলোতে নির্মাণ করা হয়নি কোনো স্মৃতিফলক। বর্তমান সরকারের আমলে দেশের অনেক পরিবর্তন হলেও অত্র এলাকার বধ্যভূমিগুলোর কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় ঐসকল বধ্যভুমি গুলোকে চিহ্নিত করে স্মৃতিফলক নির্মান করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন ইউএনও ফারজানা খানম।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা গেছে, স্মৃতিফলক নির্মান নিয়ে অনেকের মাঝে চাঁপা ক্ষোভ বিরাজ করলেও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন উপজেলার অধিকাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকার সাধারণ মানুষ। স্মৃতিফলক নির্মিত না হওয়ায় অত্র এলাকার ছোট-বড় ৫টি বধ্যভূমির অধিকাংশই হারিয়ে যেতে বসেছে।

উপজেলার বিরিশিরি, গাওকান্দিয়া ও কুল্লাগড়া ইউনিয়নে সীমান্তবর্তী এলাকা বিজয়পুর ও আরাপাড়া এলাকায় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় এলাকার আলবদর ও রাজাকারদের সহযোগিতায় পাকিস্তানি বাহিনী নিরীহ ও মুক্তিকামী অসংখ্য বাঙালিকে ধরে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে এসব বধ্যভূমিতে ফেলে রাখত।

১৯৭১ সালে পাকসেনারা অসংখ্য মা-বোনকে নির্যাতনের পর হত্যা করে বিরিশিরি এলাকায় মাটিতে গনকরব দিতো আবার কিছু লাশ নদীতে ভাসিয়ে দিতো। অগণিত শহীদের রক্তে ভেজা এসব জায়গা সংরক্ষণের অভাব মুছে যেতে বসেছে। অনেকেই এসব স্থান অবৈধ দখলের পাঁয়তারা করছে। অবহেলায় পড়ে থাকলেও নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নতুন উদ্যোগ।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার সোহরাব হোসেন তালুকদার বলেন, স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর বিভিন্ন সময়ে বধ্যভুমি গুলো রক্ষার জন্য বিভিন্ন দপ্তরে দপ্তরে অনুরোধ জানিয়েছি। অন্য ইউএনও গন চেস্টা করলেও তা বাস্তবে রুপদিচ্ছেন বর্তমান ইউএনও ফারজানা খানম।

তিনি অযত্নে অবহেলায় পড়ে থাকা বধ্যভূমিগুলো সংস্কারের যে উদ্দ্যেগ নিয়েছেন এতে আমরা মুক্তিযোদ্ধাগন গর্বিতবোধ করছি। শুধু তাই নয় অত্র এলাকার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে সংরক্ষন করার জন্য সকল মুক্তিযোদ্ধাদের সাক্ষাৎকার নিয়ে ছবি সহ একটি বই প্রকাশের যে উদ্দ্যেগ নিয়েছেন তিনি, এতে আমরা মরেও শান্তি পাবো।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা খানম বিডিরয়টাসকে বলেন, আমি গর্বিত এই দেশে জন্মগ্রহন করে। বাংলাদেশে এখনো অনেক ইতিহাস রয়েছে যা সংরক্ষন করা হয়নি। কালের আবর্তে অনেক মুক্তিযোদ্ধাগন হারিয়ে যাচ্ছেন। মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে উপজেলা পর্যায় থেকেই কাজ শুরু করতে হবে। জানিনা আমি কতটুকু করতে পারবো। তবে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে জাগয়া গুলো চিহ্নিত করে স্মৃতিফলক তৈরি করায় সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

 

অনুগ্রহ করে নিউজটা শেয়ার করুন, নিজে পড়ুন অন্যকে ও পড়তে সাহায্য করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2019 দৈনিক সময় এক্সপ্রেস.

কারিগরি সহযোগিতায় দৈনিক সময় এক্সপ্রেস.