1. rony07557@gmail.com : admin :
October 22, 2020, 5:29 pm
শিরোনামঃ
কেন্দুয়ায় চোরাই গরু সহ ২ চুর আটক ১৫ অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র চট্টগ্রামে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে প্রশাসনের মাইকিং যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ককে ডিবি পরিচয়ে তুলে নেওয়ার অভিযোগ নেত্রকোনায় পানিতে ডুুুবে দুই শিশুর মৃত্য হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সাত দিনের আলটিমেটাম মান্নার (ভিডিওসহ দেখুন) কিশোরগঞ্জে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহতের পরিবারকে দেড় লাখ টাকা অনুদান প্রদান জামালপুরের ডিসির কায়দায় এবার আ’লীগের এমপির নারী কেলেঙ্কারি নেত্রকোনার মদনে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ৭ উত্তাল ময়মনসিংহ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা খুন; বিক্ষোভ-অগ্নিসংযোগ নতুন দ্বারা রাজনৈতিক দল গঠন চলবে সকলের অনুদানে : ভিপি নুরু ও রাশেদ

নেত্রকোনায় মুগল আমলের কালের সাক্ষী কেন্দুয়ার রোয়াইলবাড়ি

বিজয় দাস, নেত্রকোনা
  • Publishe Time, Sunday, October 11, 2020,
  • 72 0 view
নেত্রকোনায় মুগল আমলের কালের সাক্ষী কেন্দুয়ার রোয়াইলবাড়ি

নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া থানার ঐতিহাসিক মুগল আমলের কালের সাক্ষী রোয়াইলবাড়ির প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন। ১৯৯২ খৃস্টাব্দে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কতৃক রোয়াইলবাড়িতে খনন কাজ পরিচালিত হলে বেরিয়ে আসে মসজিদ, দূর্গ, রাস্তা, পরিখা, কবরস্থান ও অনেক অট্টালিকা।

তারমধ্যে বারোদুয়ারী ঢিবির দক্ষিণাংশে সমতলভূমি। মাটিখননে সেখানে আরো পাওয়া গেছে কারুকার্যময় অট্টালিকার চিহ্ন ও দূর্গে সৈনিকদের কুচ কাওয়াজের প্রশস্ত মাঠ। ঐ প্রাচীন চিহ্নবহ স্থানটি ৮ হেক্টর। এটি আয়তকার ছিল বলে ধারনা করা হয়। দক্ষিণে বেতাই নদীর তীর ঘেঁষে ভাঙ্গন অথবা নোঙ্গর ঘাটের জন্য দেয়াল গাঁথুনি ছিল। মূলদুর্গের দৈঘ্য ৪৫০ মিটার ও প্রস্থ ১৫৭ মিটার। ইটের পরিমাণ ৩৭১৮৬ সেন্টিমিটার।

তার সন্মুখভাগে জোড়াদিঘি। এর একটির দৈঘ্য ২৭০ মিটার ও প্রস্থ ৭০ মিটার, অপরটির দৈঘ্য ১৫০ মিটার ও প্রস্থ ৯০ মিটার। খননে বেরিয়ে আসা মসজিদটির কারুকাজ ও ইটের আকৃতি সুলতানী আমলের। সংস্কার ও কারুকাজ সংযোজন হয়েছিল মুঘল যুগে। কেন্দুয়া থানার জাফরপুর গ্রামে একটি মসজিদের ইটের নকশা ও কারুকাজে রোয়াইল বাড়ির মসজিদের ইট ও কারুকাজের সঙ্গে মিল রয়েছে। মনে হয় এ দুটি মসজিদ একই সময়ে প্রাতিষ্ঠা লাভ করেছিল। একই এলাকা পরিখা বেষ্টিত ছিল বলে প্রমাণ মিলে।

উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের জমিদার ও আশুলিয়া গ্রামের অনেক প্রাচীন স্থাপত্য আজ বিলুপ্ত। রোয়াইলবাড়ির মালেক মিয়া জানান, ঐতিহাসিক স্থানটি এলাকায় মুগল আমলের কথা জানতে সাহায্য করবে । এটিকে লালন করাটা খুব জরুরি। সরকার এ ব্যাপারে এগিয়ে আসবে বলে দাবি এলাকাবাসীর। জেলা প্রশাসক কাজী আব্দুর রহমান বলেন, স্থানটি আমি পরিদর্শন করেছি।এটি রক্ষা করতে সরকারিভাবে যা কিছু করার দরকার আমি করব। ইতোমধ্যে এ ব্যাপারে ঢাকায় লিখিত আবেদন করা হয়েছে।

 

অনুগ্রহ করে নিউজটা শেয়ার করুন, নিজে পড়ুন অন্যকে ও পড়তে সাহায্য করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো সংবাদ

© All rights reserved © 2019 দৈনিক সময় এক্সপ্রেস.

কারিগরি সহযোগিতায় দৈনিক সময় এক্সপ্রেস.